বিজ্রের দুই দ্বারে মাটি না দেওয়ায় ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৬:৩৮

শাখাওয়াত হোসেন মোল্লা, শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি:

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মাদবেরচর ইউনিয়নের ১নাং ওয়ার্ডে খান কান্দি এলাকায় ২০১৮ সালে নির্মান করা হয় দুটি ব্রিজ একটি আট বছর পেরিয়ে গেলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এখনো কোনো সুফল পাচ্ছেন না এলাকাবাসী। স্থানীয়দের অভিযোগ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প থাকলেও তা বাস্তবে জনগণের কোনো উপকারেই আসছে না।”
“স্থানীয়রা জানান, আট বছর পূর্বে স্থানীয় দুই ইউপি সদস্যদের রেসারেশিতে এবং ক্ষমতার দাপট,ও অপব্যবহারের মাধ্যমে মহিলা মেম্বার যুব মহিলা লীগ নেত্রী ও ইউপি চেয়ারময়ান মাহামুদ চৌধুরীর সহযোগিতায় একটি ব্রীজ নির্মান করে সরকারী কোষাগারের প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে, নির্মানাধীন ব্রীজের কাজ শেষ হতে না হতেই ১০০ গজ দ্বরত্বে আরেকটি ব্রীজ মেম্বার আনোয়ার খান তদবীর করে কাজ করেন এবং ব্রীজ নির্মান ও রাস্তা করে খান বাড়ী ১ নং ওয়াড এলাকার সংযোগ সড়ক স্হাপন করেন।”

“সরেজমিনে দেখা যায়,ব্রীজ নির্মাণের পর থেকে আজ পর্যন্ত একটি ব্রিজের দুই পাশে মাটি দিয়ে ভরাট এবং রাস্তা তৈরি না করে কাজের সম্পন্ন বিল তুলে নেন। এতে করে ব্রিজটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, পরিকল্পনার অভাব ও সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতার কারণে ও ক্ষমতার দন্ডে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।”

ব্রিজ নির্মাণের সময়ই যদি সংযোগ সড়কের বিষয়টি নিশ্চিত করা হতো, তাহলে আজ তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। এবং একটি ব্রীজ হলেই হতো, কোটি টাকা ব্যয়ের প্রয়োজন হতো না,অন্য কোন জায়গায় উন্নয়ন করা যেত। সরকারের অপচয় হইতো না, ।স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হক বলেন, ব্রীজ বানানো হলো, কিন্তু রাস্তা নাই।”

“ক্ষমতার প্রভাবে একই স্হানে দুটি ব্রীজ নির্মান রাষ্ট্রের অপচয় কোনো ভাবে কাম্য নয়, ১নং ওয়ার্ডের মনির মেম্বার বলেন তখন মহিলা মেম্বার ও আনোয়ার খানের ক্ষমতার বলে একটি স্হানে দুটি ব্রীজ সরকারের অপচয়, মোটেও মেনে নেওয়া যায় না, রাষ্ট্রের এতো অপচয় গ্রহণ যোগ্য নয়, এর পরও আট বছর নির্মিত ব্রীজের দুই পাশে মাটি দিয়ে রাস্তা নির্মান করলে জনগনের যাতায়াত সুবিধা হতো সুফল পেতো এলাকাবাসী।”

“এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এলাকাবাসী, দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তাদের মতে, অল্প কিছু অথ বরাদ্দ এবং প্রশাসন উদ্যোগ নিলেই ব্রিজটি ব্যবহারযোগ্য করা সম্ভব।যথাযথ পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের অভাবে উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ।”
“শিবচরের এই উন্নয়ন কার্যক্রমে জবাবদিহিতা ও কার্যকর তদারকির প্রয়োজনীয়তাকেই আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। এধরনের প্রকল্প গ্রহনের আগে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া, এবং জবাবদিহিতার আওতায় আনা জরুরি বলে মনে করেন সচেতন নাগরিক বৃন্দ।