মোঃ মিজানুর রহমান
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মোছা. রাশেদা (২৪) নামের এক নারীকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি নাইমুলকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার ২২এপ্রিল ভোরে উপজেলার সুখিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দুপুরেই তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তিনি উপজেলার সুখিয়া গ্রামের আমিন মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী রাশেদা একই এলাকার মৃত বোরহান উদ্দীনের স্ত্রী।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার নাইমুল, শহীদ, নাঈম ও নাসরিন গংদের সঙ্গে রাশেদার নানা বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই জেরে শুক্রবার ১৭এপ্রিলমসন্ধ্যায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাশেদার বাড়িতে ঢুকে তাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালাগাল করতে থাকে অভিযুক্তরা। মেয়ে শ্রাবন্তী এর প্রতিবাদ করলে প্রতিপক্ষের লোকজন শ্রাবন্তীকে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। মেয়েকে রক্ষা করতে রাশেদা এগিয়ে গেলে তার উপরও হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন।
এসময় প্রতিপক্ষের শহীদ দা দিয়ে রাশেদার মাথায় কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। নাঈম লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রাশেদার ডান ও বাঁ হাত থেতলে দেয়। তাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে এলে প্রতিপক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। এসময় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে। রাশেদা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ওই ঘটনায় ২০এপ্রিল ভুক্তভোগী রাশেদা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ২-৩জনকে আসামি করা হয়। ওই মামলায় নাইমুল ১ নম্বর আসামি।
এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আরিফুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করে আজ বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।