শাখাওয়াত হোসেন মোল্লা, শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি : মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পদ্মা,আড়িয়াল খা, ময়না কাটা নদী এখন প্রায় অস্তিত্ব সংকটে। পদ্মা নদী নাব্রতার কারনে শুকিয়ে যাচ্ছে। প্রবাহমান ময়না কাটা নদীটির দুই পাড়ে বর্তমানে গড়ে উঠেছে দাদা ভাই উপশহর নামে হাউজিং প্রকল্প,শিশুপার্ক, মডেল মসজিদ, শেখ হাসিনা টেস্কটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, এবং প্রভাবশালীদের অবৈধ ভাবে ভরাট ও দখলদারিত্বের কারণে পানিশূন্য হয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।’
কয়েক বছর আগেও ময়না কাটা নদীতে সারা বছর পানি থাকত এবং এটি ছিল এলাকার কৃষি, মৎস্য ও নৌ-যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। পদ্মা নদীর সাথে মাদবরেরচর হয়ে পাচ্চর-বাহাদুরপুর-বড়দোয়ালী দিয়ে ময়নাকাটার নদীর সংযোগ ছিল। নীমতলা থেকে মাদারীপুরে লঞ্চে যাতায়াত ছিলো, মাদবরেরচর হাট থেকে পাচ্চর হয়ে ময়না কাটা বীল পদ্মা দিয়ে আড়িয়াল খাঁ নদী তে যুক্ত ছিলো, পদ্মা নদী থেকে ময়নাকাটা হয়ে আড়িয়াল খাঁ নৌ পথ ছিলো উল্লেখ যোগ্য কিন্তু ধীরে ধীরে নদীর তীর দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ, মাটি ভরাট এবং বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দেওয়ার কারণে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।’
‘সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, মাদবরেরচর খাড়াকান্দি নদীর মাঝে ধান লাগানো,এবং বাড়ী ঘর নিমান করা। অনেক জায়গায় নদীর বুকে মাটি দিয়ে ভরাট, চাষাবাদ করা হচ্ছে বলেও দৃশ্যমান । এতে করে নদীর গভীরতা কমে গিয়ে পানি ধারণক্ষমতা প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে। বর্ষা মৌসুম ছাড়া বছরের বেশিরভাগ সময়ই নদীটি শুকনো থাকে।’
‘স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন,শিবচর বাজারে প্রতি শুকবার ও সোমবার হাট মিলতো, পাট,ধান,মসুরি,শরিষা,কলই, কালাই,গম,ধনিয়া,ইত্যাদি ক্রয়-বিক্রয় করা হইতো।
নদী পথে এ সব মালামাল বহন করা হতো
নদী পথ না থাকায় হাট বিলুপ্তি হয়ে গেছে। এতে করে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।