সোনারগাঁওয়ে মাদক সম্রাটের আতঙ্কের নাম ওসি মুহিববুল্লাহ

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ১৩, ২০২৬, ০৪:৩০

মো.মোক্তার হোসেন সোনারগাঁও (নারায়ণগঞ্জ) থেকেঃ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও মেঘনা নদী তীরবর্তী হওয়ায় মেঘনা এলাকা মাদকের জোন হিসেবে পরিচিত।এই এলাকাটিতে দক্ষিণাঞ্চলের ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একাধিক সর্বোচ্চ শক্তিশালী সিন্ডিকেট স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের আঁতাত করে সড়ক ও নৌ-পথে বড় বড় মাদকের চালান এনে রাজধানী ঢাকার ও নারায়ণগঞ্জ শহরে সরবরাহ করে। আর অন্তিম মুহূর্তে বাংলাদেশ সরকার পুলিশের ওসি মহিববুল্লাহ সোনারগাঁও থানায় যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই যুব সমাজ সহ স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের মাদকের করালগ্রাসের হাত থেকে জীবন বাঁচাতে “চলো যাই যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে”এই স্লোগানে সহকর্মীদের নিয়ে সাধারণ জনতার সহযোগিতায় সর্বত্রে ঝাঁপিয়ে পড়েন মাদক উদ্ধারের। বিরতিহীন ভাবে চলছে অভিযানের পর অভিযান। উদ্ধার হচ্ছে মাদক গ্রেফতার হচ্ছে খুচরা বিক্রেতারা। ধরাছোঁয়ার বাইরে রাঘব বোয়ালেরা।

এলাকাবাসী সূত্রে জানায়, সোনারগাঁও উপজেলায় থানার ওসি মহিববুল্লাহ যোগদানের পর ধীরে ধীরে পাল্টে যাচ্ছে সোনারগাঁওয়ের চিত্র। মাদক বিক্রেতা সেবনকারীরা হরণ্য হয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে অন্যত্রে অন্য জেলায় আশ্রয় নিচ্ছে।৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে দেশ পরিবর্তনের পালায় এবার চাঁদাবাজি, মাদক, অস্ত্রের জন-জনানী,চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, বাল্যবিবাহ, কিশোর গ্যাংয়ের ভয়ংকর ছোবল থেকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ফিরে পেতে পর্যায়ক্রমে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে প্রশাসনের নিয়মিত অভিযানে। পুলিশের প্রতি আস্থা বাড়তে শুরু করেছে সাধারণ মানুষের।

এব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিব্বুল্লাহ বলেন, আমি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স ঘোষণা করে”চলো যাই যুদ্ধে মাদকের বিরুদ্ধে” এই শ্লোগানে উপজেলার দশটি ইউনিয়ন একটি পৌরসভা সর্বত্র জনগণের সারা পেয়ে আমি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছি।সাধারণ জনতার সহযোগিতায় আমার এই মাদক বিরোধী হাই বুল্টেসের স্লোগানে নিয়মিত অভিযানে কিছু কিছু মানুষ আমার প্রতি অনেক ক্ষুব্ধ।কিন্তু আমি বদ্ধপরিকর।