লম্পট শশুরের লালসার স্বীকার গৃহবধূর অভিযোগ ও পরে সংবাদ সম্মেলন এবং বিচারের দাবী

প্রকাশিতঃ মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৬:৩৪

মীর সাজু ভোলা চরফ্যাসন প্রতিনিধি।। লম্পট শশুরের লালসার স্বীকার গৃহবধূর সংবাদ সম্মেলন ও পরে বিচারের দাবীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। তথ্য সূএে জানা যায় যে, মোসাম্মাৎ সুরমা (১৯) কে জং মোঃ লোকমান সাবেক সাং চর মানিকা, ৮ নং ওয়ার্ড, পোঃ/দক্ষিণ আইচা,জেলাঃ ভোলা।

সাংবাদিক সম্মেলনে ভিকটিমের বক্তব্য, আমি গত ০৭/০২/২০২৬ অনুমান সকাল ১০ ঘটিকার আমার শাশুড়ি ও ননদ বাড়িতে না থাকার সুবাদে ঘর লেপার কাজ করিতে থাকি। তখন শশুর মোঃ মফিজুল (৫০)পিতা মৃত নুরুল ইসলাম। সাংরড বাজার চর আইচা,০৮নং ওয়াড দক্ষিণ আইচা চরফ্যাশন ভোলা ঘরে থেকে আমাকে ডাক দেয়।

আমি তার কাছে গেলে সে আমাকে মাঝের ঘরের চকিতে বসতে বলে। তখন আমি তার কথা মত বসতে না চাইলে সে আমাকে ঝাপটাইয়া ধরে চৌকির উপর চিৎ করিয়া শুয়াইয়া ফেলে। সেইসঙ্গে আমার পরনে থাকার সেলোয়ার কামিজ তানিয়া খুলিয়া ফেলে।

এ ঘটনার বিষয় আমি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিগণকে জানাই। অতঃপর বিভক্ত নারী ও নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল ভোলায় মামলা করিতে গেলেে ধর্ষণের ঘটনা আড়াল করে ধর্ষণ চেষ্টা মামলা দেয়া হয়। তাহাতে দর্শনের ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা হয়। আদালত উহার শুনানি শেষে দক্ষিণ আইচা থানার অফিসার ইন সার্চ কে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেয়। তাহাতে আমি থানায় গেলে আমার মতামত শুনে বলেন যে, তোমার মামলার ঘটনার বিষয়টি চাপা পড়ে গেছে। সেই সাথে জৈনেক কবির নামের এক নানখাভুজুরি সাংবাদিক তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ধষর্কের স্বীকারোক্তির বিষয়টি অভিযুক্ত মফিজের কাছ থেকে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্যের বিনিময়ে তথ্য প্রমাণ লোপাট করে আমার সাক্ষাৎ নিয়ে এবং ভিডিও ধারন করার বিষয়টি আমাদেরকে না দিয়ে আমার সাথে প্রতারণা করে মূল ঘটনাটি নষ্ট করে দেয়। ইহাতে ধর্ষিতা গৃহবধূ বিচার না পাওয়ার আশঙ্কায় ভুগছেন বলে জানা যায়।

আমি ২২/০২/২০২৬ইং রোজ রবিবার সকাল ১০ টায় মোকাম বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত, ভোলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০( সংশোধিত)২০০৩ এর ৯(৪)খ ধারায় একটি মামলা দায়ের করি।