মধ্যরাতে বিধবাকে পাশবিক নির্যাতন: সুদের টাকার বিনিময়ে সম্ভ্রম কাড়ল নরপিশাচ গোলাপ

প্রকাশিতঃ মার্চ ২৫, ২০২৬, ০৪:০১

মো. মঞ্জুর মোল্লা : সমাজে লুকিয়ে থাকা এক কুখ্যাত নরপিশাচের লালসার শিকার হলেন এক অসহায় বিধবা নারী। ঋণের সুদের টাকা আনতে গিয়ে নির্জন রাতে রক্ষক সেজে ভক্ষকের রূপ ধারণ করল পাষণ্ড গোলাপ। জোরপূর্বক ধর্ষণের পর মারধর ও প্রাণনাশের হুমকিতে এখন দিশেহারা ওই নারী। এই পৈশাচিক ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
​ঘটনার নৃশংস বিবরণ
​ঘটনাটি ঘটে গত রাতে আনুমানিক ১১টার দিকে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী আর্থিক অনটনের কারণে অভিযুক্ত গোলাপের কাছ থেকে চড়া সুদে কিছু টাকা ধার নিয়েছিলেন। ঘটনার রাতে পাওনা সুদের টাকা আদায়ের বাহানায় গোলাপ ওই নারীর বাড়িতে উপস্থিত হয়। ওই নারী বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে গোলাপ হিংস্র হয়ে ওঠে এবং তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
​মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি
​ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, পাশবিক নির্যাতনের সময় তিনি বাধা দিলে গোলাপ তাকে নির্মমভাবে মারধর করে। শুধু তাই নয়, বিষয়টি কাউকে জানালে তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে এলাকা ত্যাগ করে ওই নরপিশাচ। বর্তমানে ধর্ষিতা নারী শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং গভীর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
​জনতার আদালতের হুঁশিয়ারি
​এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। সাংবাদিক মোঃ মঞ্জুর মোল্লা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, “সুদের ব্যবসা আর পেশীশক্তির দাপটে এক অসহায় নারীর সম্ভ্রম লুটে নেওয়া হবে, তা সভ্য সমাজে মেনে নেওয়া যায় না। এই নরপিশাচ গোলাপকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। প্রশাসনকে প্রমাণ করতে হবে যে আইন অপরাধীর পক্ষে নয়, বরং ভুক্তভোগীর পক্ষে।”
​প্রশাসনের প্রতি দাবি
​১. অভিযুক্ত গোলাপকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠাতে হবে।
২. ভুক্তভোগী নারীর যথাযথ চিকিৎসার পাশাপাশি সর্বোচ্চ আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. সুদের ব্যবসার নামে যারা অসহায় মানুষকে শোষণ করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।
​উপসংহার:
রক্তের নেশায় মত্ত এই নরপিশাচদের জন্য সমাজে কোনো জায়গা নেই। জনতার আদালত ২৪/৭ এই লড়াইয়ে ভুক্তভোগী নারীর পাশে আছে এবং বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই কলম থামবে না।