​উত্তরা ১নং ওয়ার্ডে ভোটের হাওয়া: ‘বসন্তের কোকিল’ বনাম রাজপথের ত্যাগী নেতাদের লড়াই

প্রকাশিতঃ মার্চ ৮, ২০২৬, ১৪:৫৯

মো.​ মঞ্জু মোল্লা, ​ঢাকা: রাজধানীর প্রবেশদ্বার খ্যাত উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১ নং ওয়ার্ড। দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক অচলায়তন ও স্বৈরশাসনের অবসরের পর এই জনপদ এখন আসন্ন নির্বাচনী উত্তাপে কম্পমান। তবে এই উত্তাপ কেবল ভোটের নয়, বরং ‘যোগ্য নেতৃত্ব’ বেছে নেওয়ার। এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হাসিনা রেজিমের পতনের পর হঠাৎ করেই উত্তরা ১ নং ওয়ার্ডে অনেক ‘নব্য’ নেতার আবির্ভাব ঘটেছে। তবে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল কর্মীদের মুখে এখন একটিই নাম— এস আই টুটুল।
​‘সুবিধাবাদী’ বনাম ‘লড়াকু’দের দ্বন্দ্ব জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর যখন চারদিকে স্বস্তির বাতাস, তখন উত্তরা ১ নং ওয়ার্ডে অনেক ‘বসন্তের কোকিল’ দেখা যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গত দেড় দশকে রাজপথে যাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি, যারা মামলার ভয়ে আত্মগোপনে ছিলেন কিংবা পরোক্ষভাবে বিগত সরকারের সুবিধাভোগী ছিলেন, তারাই এখন নিজেদের ‘ত্যাগী’ দাবি করে ব্যানার-ফেস্টুনে এলাকা সয়লাব করছেন। কিন্তু ১ নং ওয়ার্ডের বিএনপি ঘরানার তৃণমূল কর্মীরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের মতে, “সুদিনের মৌমাছি নয়, দুর্দিনের কাণ্ডারিই হবে আমাদের প্রতিনিধি।”
​কেন আলোচনার তুঙ্গে এস আই টুটুল? মাঠ পর্যায়ের তথ্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উত্তরা পূর্ব থানা বিএনপির রানিং যুগ্ম আহবায়ক এস আই টুটুলের জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে তার দীর্ঘদিনের আপোষহীন নেতৃত্ব। ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রভাবশালী নেতা এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের অত্যন্ত বিশ্বস্ত সেনাপতি হিসেবে পরিচিত টুটুল প্রতিটি আন্দোলনে ছিলেন সম্মুখভাগের যোদ্ধা।
​রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত হয়েও তিনি মাঠ ছেড়ে পালাননি, বরং নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন। বিশেষ করে জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে যখন উত্তরায় রক্ত ঝরছিল, তখন এস আই টুটুল জীবন বাজি রেখে রাজপথে থেকে ছাত্র-জনতাকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সাহসের পরিচয় দিয়েছেন।
​জনগণের ‘অপেক্ষার প্রহর’ ১ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সাধারণ মানুষের কাছে টুটুল কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং আপদে-বিপদে পাশে থাকা এক বিশ্বস্ত ভরসা। এলাকার তরুণ প্রজন্ম তাকে ‘সাহসের প্রতীক’ হিসেবে দেখছে।
​স্থানীয় ভোটারদের দাবি— যারা গত ১৭ বছর মামলা-হামলার ভয়ে ঘরে বসে থেকে এখন নেতা সাজতে চাইছেন, তাদের প্রত্যাখ্যান করার সময় এসেছে। ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন এমন এক কাউন্সিলরের জন্য, যিনি তাদের অধিকার আদায়ে কখনো পিছুপা হবেন না। আর সেই আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন রাজপথের প