সৈয়দা রাশিদা বারী
লেখো কবি আর দেখো,
কথা কইয়ো না।
ঘরের ডাবে আছে লক্ষ্মী,
কাছে যাইয়ো না।
রাত জাগা কোক পাখিটা,
তোমায় যে খোঁজে।
কতো রাইত জেগে ছিলে
সে-ই যে বোঝে।
ওই ঘরের লক্ষী পেঁচায়,
দেখবে বইয়ের সেলফ।
খাতা পত্রও সাক্ষী দিয়ে
করবে কবির হেল্প।
ঠোঁট থামাও টেপ মেরে,
কলম করো বন্ধ।
বাতাস মাটি ভারী বড়
অবাক করা গন্ধ!
আমি রাশিদা ব্যস্ত থাকি,
ভূতের বেগার খাটি।
নাই নিরাপত্তা নাই সুখ
জীবন পুরাই মাটি।
কি করেছি তাও জানিনা,
উপোস থেকেই বাঁচি।
সবই আমার বৃথা গেছে
হইনি গুণী জ্ঞানী।
রাজনীতির মাঠে নামলে শুনি,
অনেক দামি হতাম।
মাটিতে পা না দিয়েই নাকি
সারা বিশ্ব ঘুরতাম।
রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় হতাম পূর্ণ,
গোলাই উঠতো সুখ।
দেখে আমার ধন্য জীবন
পালিয়ে যেতো দুঃখ।
দুঃখগুলো পালিয়ে গেলেও
হতাম জুলুম বাজি
বিরোধীরা সব বলতো রেগে
তুই তো স্বৈরাচারী!
কবি সাহিত্যিক দেশের সম্পদ
তাদের আবার দল কি?
দেশ নিয়ে যারা ব্যবসা করে
তাদের কথাই লেখে কবি।
আমিও বোকা ভেবে অবাক
খাচ্ছি কেবল ধোকা
কবিতো সবার বোঝেনা কেন?
ওরা কি কাঁচা খোকা!?
দলের দোষে দেশের বুকে
হলেই একটা কিছু,
বুদ্ধিজীবী নির্মূলেরে ভাই
জোরসে ছোটে পিছু!
আমার দেশটা স্বাধীন হলেও
মূর্খতে গেছে ভরে!!
তারা নিজেরঘর নিজেই ভাঙ্গে
উতাল পাতাল করে!
এবার ২০২৫ এর মে দিবসে
মুক্তি পণের দাবি,
পুরুষ নির্যাতন জুলুম ভেঙে
যুক্তি নিশান পাবি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বলেই
বৈষম্য দূর হবে,
শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ইউনুস
শান্তি এনে দেবে।
৩০.৪.২০২৫ ইং, রাত ১১টা, বুধবার।