রাজধানীর ডেমরা তেলের জন্য ছোটাছুটি, পুলিশ প্রহরার তেল দিচ্ছে কিছু পাম্প

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ১, ২০২৬, ০৯:১১

নূর আলম ভূইয়া, ডেমরা (ঢাকা)

কিছুতেই জ্বালানি তেলের সংকট কাটছে না। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও জ্বালানি তেল নিতে গেলে সারা দিনের কর্মঘন্টা থেকে অনেক টা সময় চলে যায় তেলের পাম্পের লাইনে দাড়িয়ে থেকে। এতে করে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের শেষ নেই। বেশির ভাগ তেল পাম্প গুলো পর্যাপ্ত পরিমানের তেল না পেয়ে বন্ধ রেখেছে এবং নামে মাত্র কয়েকটি পাম্প প্রয়োজনের অনেক কম তেল পেয়েও কোনো মতে চালিয়ে যাচ্ছে। যতক্ষন পাম্পে তেল থাকছে বিক্রি করছে তেল শেষ তো পাম্প বন্ধ তখন মানুষের ক্ষোভ যেন প্রতিহিংসায় পরিনত হচ্ছে। কারন দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে থেকে উপরে তেল শেষ হয়ে গেছে এমন কথা কারো সহ্য হচ্ছে না। তাই কয়েকটি পাম্প তেল বিক্রি করলেও নিরাপত্তার প্রয়োজনে পুলিশ প্রহরার তেল বিক্রি করতে হচ্ছে তাদের।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর ডেমরার মোট ১২টি পেট্রোল পাম্প থাকলেও এদের মধ্যে কোনাপাড়ায় সিটি ফিলিং স্টেশন, এবং ডেমরা রামপুরা সড়কে কিকো ফিলিং স্টেশন ছাড়া সব কটিই বন্ধ রেখেছে সেই প্রথম থেকেই। তাদের অভিযোগ কেউ চাহিদা মোতাবেক তেল পাচ্ছে না। আবার কেউ বলছে পাম্পের মেশিন নষ্ট তাই পাম্প বন্ধ। সবকিছু মিলিয়ে গ্রাহকদের ভোগান্তি থাকছেই।

কিকো পাম্পে তেল নিতে আসা বাইকার মো.মিজানুর রহমান বলেন, এই দুপুর বেলা প্রচন্ড রোদে লাইনে ৪৫ মিনিট লাইনে থেকে যেই পাম্পের সামনে আসলাম এই মুহূর্তে জানতে পারলাম পাম্পে তেল শেষ বিকেলে আবার তেল আসলে চালু করা হবে। কেমন লাগে বলুন তো এ কারণে বর্তমানে পাম্পে কিছু লোক উশৃঙ্খল আচরন করছে।

এ বিষয়ে কিকো পাম্পের মালিক মো. নূরে আলম জিকো বলেন, চাহিদার ৩ ভাগের এক ভাগ তেলও আমি পাচ্ছি না। যেমন আমাকে দৈনিক ৮ হাজার লিটার ডিজেল আর ৫ হাজার লিটার অকটেন দিচ্ছে ডিপো ধেকে। যেখানে অকটেনের চাহিদা বেশী সেখানে অকটেনের চেয়ে ডিজেল দিচ্ছে বিশী। যা আমার চাহিদার অর্ধেক ও না।

এ বিষয়ে রামপুরা থানার এস আই জুয়েল (অন ডিউটি) বলেন আমার এ সড়কে কিলো ডিউটি করছি এখানে বিশৃঙ্খলা দেখে উপস্থিত হয়ে দেখে এ পাম্পে পর্যাপ্ত তেলের ব্যবস্থা ণা থাকায় পাম্পের কর্তৃপক্ষ চাহিদা অনুযায়ী তেল দিতে পারছে না এ কারণে গ্রাহকরা কিছুটা উত্তেজিত ছিল। এখন পরিস্থিতি একদম সাবাভিবক।