লক্ষ্মীপুর থেকে গাজী গিয়াস উদ্দিন : পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি নতুন বাইপাস লক্ষ্মীপুর শহরের উপর দিয়ে সৃষ্টি করে শহর এলাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করেন। প্রকল্প নিতে পারবেন, তবে দুর্নীতি করা যাবেনা।জুলাই আন্দোলনের ত্যাগ, গুম খুনের বিনিময়ে আমরা মুক্ত পরিবেশ পেয়েছি। নবনিযুক্ত প্রশাসক সাবু এবং আমি নিজেও মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পেয়েছি। সামান্য বিষয় নিয়ে বিবাদে জড়ানোর মতো সামাজিক অবক্ষয় থেকে আমাদের নিষ্কৃতি পেতে হবে।মন্ত্রী গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ এর নবনিযুক্ত প্রশাসক জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবুর দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, ফেনী,নোয়াখালী ও ফেনীর বিগত বন্যার উল্লেখ করে তিনি বলেন,রহমতখালী ও ভুলুয়া খাল খনন করে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করে বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
জেলা পরিষদ নবনিযুক্ত প্রশাসক সাহাব উদ্দিন সাবুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর ১ রামগঞ্জ আসনের সাংসদ শাহাদাত হোসেন সেলিম, জেলা জামায়াতে ইসলামী আমির মাস্টার রুহুল আমিন ভুঁইয়া, বাফুফে সহ সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন হ্যাপি, জেলা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট হাসিবুর রহমান এবং জেলা পরিষদ নির্বাহী কর্মকর্তা প্রমুখ।
এদিকে ২৩ মার্চ বিকেলে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার জয়পুর ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ১৭ বছরের ট্রেন্ড এখনো মাদকের ব্যবসা করে, মাদক সেবন করে। ওই ব্যক্তিরা এ আমলে এত প্রভাব বিস্তার করার কথা না। তাহলে নিশ্চয়ই কেউ তাদেরকে আন্ডারগ্রাউন্ডে সহযোগিতা করছে। পুলিশ প্রশাসন ও এলাকাবাসি মিলে এই এলাকাকে মাদকমুক্ত করতেই হবে। এটা আমাদের চ্যালেঞ্জ। সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পারবো।
এ্যানি চৌধুরী জামায়াতকে ইঙ্গিত করে বলেন, তারা বলেছিলেন এটা ফ্যামিলি কার্ড নয়, এটা ভুয়া কার্ড। ইতোমধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন। আমরাও লক্ষ্মীপুরে প্রত্যেক পরিবারের কাছে পৌঁছে দিয়ে প্রমাণ করবো, ফ্যামিলি কার্ডটা ভুয়া নয়। এটার সুবিধা প্রত্যেকটা পরিবার পাবে। সবার জন্য শিক্ষা, সবার জন্য স্বাস্থ্য এটা আমাদের ৩১ দফার অনেকগুলো পয়েন্ট। প্রত্যেকটা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখন থেকে আমরা কাজ করছি।
তিনি বলেন, মাত্র একটা মাস আমরা পার করেছি। এরমধ্যে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে মহতী উদ্যোগ এটা দৃশ্যমান, লক্ষণীয়। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, হেলথ কার্ড, ফার্মাস কার্ড একের পর এক তিনি দৃশ্যমান পাইলট প্রোগ্রাম হিসেবে নিয়ে এসেছেন। সহসায় আপনাদের কাছে সেগুলো পৌঁছে যাবে। ঢাকাতে শুরু করেছেন, এখনো লক্ষ্মীপুরে শুরু করেননি। এটার জন্য সময় দিতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা বিআরডিবির চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ইউছুফ ভূঁইয়াসহ অনেকে।