স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও নাগরিকবান্ধব “স্মার্ট ওয়ার্ড” হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন কাউন্সিলর প্রার্থী ও সাংবাদিক মঞ্জু মোল্লা। উন্নত নগর অবকাঠামো, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং সার্বিক জননিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে তিনি একটি সুপরিকল্পিত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।
দীর্ঘদিনের সাংবাদিকতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সরাসরি জনসেবায় সম্পৃক্ত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তিনি ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমার লক্ষ্য ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও পরিকল্পিত স্মার্ট ডিজিটাল ওয়ার্ডে রূপান্তর করা। আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে নাগরিক সেবাকে সহজ, স্বচ্ছ ও দ্রুততর করা হবে। জনগণের ভোগান্তি কমিয়ে জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ে তোলাই হবে আমার অঙ্গীকার।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মঞ্জু মোল্লা জানান, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাস দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে অপরাধ প্রবণতা কমিয়ে আনার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি।
নিরাপত্তা জোরদারে প্রতিটি সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করে একটি সমন্বিত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। তার মতে, আধুনিক মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে পুরো ওয়ার্ডকে নজরদারির আওতায় আনা গেলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
নগর উন্নয়নের অংশ হিসেবে পরিচ্ছন্নতা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ড্রেনেজ সমস্যার স্থায়ী সমাধান, জলাবদ্ধতা নিরসন, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং পথচারীবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন মঞ্জু মোল্লা। পাশাপাশি সবুজায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি বাসযোগ্য পরিবেশ তৈরির কথাও জানান তিনি।
ডিজিটাল সেবার প্রসারে তিনি অনলাইন অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত সমাধান ব্যবস্থা চালু, ডিজিটাল হেল্পডেস্ক প্রতিষ্ঠা এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তথ্যভান্ডার তৈরির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। এর মাধ্যমে নাগরিকরা সহজেই প্রয়োজনীয় সেবা পেতে পারবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মঞ্জু মোল্লা আরও বলেন, “আমি চাই ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড হোক ঢাকা উত্তরের একটি মডেল ওয়ার্ড—যেখানে থাকবে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, নিরাপত্তা ও আধুনিক নাগরিক সুবিধা। জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি টেকসই উন্নয়ন কাঠামো গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”